<?xml version='1.0' encoding='UTF-8'?><?xml-stylesheet href="http://www.blogger.com/styles/atom.css" type="text/css"?><feed xmlns='http://www.w3.org/2005/Atom' xmlns:openSearch='http://a9.com/-/spec/opensearchrss/1.0/' xmlns:georss='http://www.georss.org/georss' xmlns:gd='http://schemas.google.com/g/2005' xmlns:thr='http://purl.org/syndication/thread/1.0'><id>tag:blogger.com,1999:blog-3683448176327843081</id><updated>2011-08-02T12:22:36.414-07:00</updated><title type='text'>Chhatro Anjumaan -e- Al-Baiyinaat</title><subtitle type='html'>The world wide Student reader forum of The monthly Al-Baiyinaat.</subtitle><link rel='http://schemas.google.com/g/2005#feed' type='application/atom+xml' href='http://chhatro-anjumaan.blogspot.com/feeds/posts/default'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3683448176327843081/posts/default?max-results=100'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://chhatro-anjumaan.blogspot.com/'/><link rel='hub' href='http://pubsubhubbub.appspot.com/'/><author><name>HaSaN 05</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18001784930709949683</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><generator version='7.00' uri='http://www.blogger.com'>Blogger</generator><openSearch:totalResults>3</openSearch:totalResults><openSearch:startIndex>1</openSearch:startIndex><openSearch:itemsPerPage>100</openSearch:itemsPerPage><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3683448176327843081.post-5906403668545561905</id><published>2011-05-25T09:10:00.000-07:00</published><updated>2011-05-25T09:13:00.246-07:00</updated><title type='text'>২০ জুমাদাল উখরা এবং ২২ জুমাদাল উখরা এদুটি বিশেষ দিন সম্পর্কে কি মুসলমানগণ অবগত?</title><content type='html'>২০ জুমাদাল উখরা হযরত ফাতিমাতু যাহরা আলাইহাস সালাম বিলাদত শরীফ লাভ করেন।&lt;br /&gt;২২ জুমাদাল উখরা হযরত ছিদ্দীকে আকবর আবু বকর ছিদ্দীক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বিদায় নেন।&lt;br /&gt;সে উপলক্ষে উনাদের জীবনী এবং প্রাসঙ্গিক আলোচনা—————&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হযরত ফাতিমাতু যাহরা আলাইহাস সালাম —উনার বিলাদত শরীফ&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এ দিনে (২০ জুমাদাল উখরা) সাইয়্যিদাতুন নিসা হযরত ফাতিমাতুয-যাহরা আলাইহাস সালাম বিলাদত লাভ করেন। তিনি বিশ্বের সকল মহিলার সাইয়্যিদাহ, রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উনার লখতে জিগার, হযরত ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম ও হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম, উনাদের সম্মানিতা মাতা, রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উনার অত্যন্ত স্নেহময়ী কন্যা এবং উনার সর্বপ্রথম আহলিয়া হযরত খাদীজাতুল কুবরা আলাইহাস সালাম, উনার চার কন্যার একজন। তিনি রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার সর্ব কনিষ্ঠা কন্যা ছিলেন। উনার পবিত্র মুখ মণ্ডল মুবারকের পবিত্রতম দীপ্তি ও লাবণ্যের কারণে উনাকে ‘‘আয-যাহরা’’ বলা হত। যেমনিভাবে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উনার কোন পুত্র সন্তানই জীবিত থাকেননি, তদ্রূপ উনার অপরাপর কন্যাদের থেকে উনার বংশীয় ধারা জারি না হয়ে। কেবল সাইয়্যিদাতুন নিসা হযরত ফাতিমা আলাইহাস সালাম উনার থেকে বংশধারা চালু হয়েছে। মূলত তিনি আহলে বাইত উনাদের অন্যতম।&lt;br /&gt;মহান আল্লাহ পাক তিনি আহলে বাইত সম্পর্কে ইরশাদ করেন, “হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি (উম্মতদেরকে) বলুন, আমি তোমাদের নিকট নুবুওওয়াতের দায়িত্ব পালনের কোন প্রতিদান চাইনা। তবে আমার নিকটজন তথা আহলে বাইতগণ উনাদের প্রতি তোমরা সদাচরণ করবে।” (সূরা শূরা/২৩) এ আয়াত শরীফ-এর ব্যাখ্যায় বিশ্বখ্যাত তাফসীর “তাফসীরে মাযহারী” ৮ম জিলদ ৩২০ পৃষ্ঠায় বর্ণিত রয়েছে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, “আমি তোমাদের নিকট প্রতিদান চাইনা তবে তোমরা আমার নিকটাত্মীয়, আহলে বাইত ও বংশধরগণ উনাদের (যথাযথ সম্মান প্রদর্শন পূর্বক) হক্ব আদায় করবে। কেননা, আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন শেষ নবী। উনার পরে কোন নবী নেই।”&lt;br /&gt;শরীয়তের দৃষ্টিতে আহলে বাইত উনাদেরকে মুহব্বত করা ফরয। আর উনাদের প্রতি বিন্দু থেকে বিন্দুতম বিদ্বেষ পোষণ করা কুফরী। তাই সকলের জন্য বিশেষ করে মহিলাদের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে- উনাকে যথাযথ মুহব্বত ও পরিপূর্ণ অনুসরণ অনুকরণ করা এবং মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের উভয়ের সন্তুষ্টি হাছিল করা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;খলীফাতু রসূলিল্লাহ হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার জীবনী মুবারক——–&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পরিচিতি :&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আল্লাহ পাকের রসুলের প্রতিনিধি, আফযালুন্নাছ বা’দাল আম্বিয়া (নবীদের পরে সর্বশ্রেষ্ঠ মানব), ইসলামের প্রথম খলীফা হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু-এর প্রকৃত নাম আবদুল্লাহ, উপনাম আবূ বকর । বিশেষ উপাধি আতীক্ব ও ছিদ্দীক্ব্ব। পিতার নাম উছমান, উপনাম আবূ কুহাফা । মাতার নাম উম্মুল খাইর সালমা বিনতে সখর । তিনি ‘আমুল ফীল’ (আবরাহার হস্তী বাহিনী আগমনের বৎসর)-এর আড়াই বছর পরে ৫৭২ ঈসায়ী সনে জন্ম গ্রহণ করেন । তিনি হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার প্রায় দু’বছর চার মাসের ছোট ছিলেন ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইসলাম গ্রহণ : ইসলাম গ্রহণকারী বয়স্ক পুরুষদের মধ্যে তিনিই প্রথম। হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার সাথে সম্পর্ক : পূর্ব পুরুষ মুর্‌রাহ-এর দিক দিয়ে তিনি হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার স্ব-বংশীয় ছিলেন। নবুয়ত প্রকাশের পূর্বেই হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে উনার সুসমপর্ক গড়ে উঠেছিল। স্বভাব চরিত্রের সাদৃশ্যের ফলে তাঁদের সমপর্ক এতই গভীর হয়ে উঠেছিল যে, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রত্যহ সকালে এবং বিকালে হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব্ব রদ্বিয়াল্লাহু আনহু-এর গৃহে অবশ্যই গমন করতেন । নবুয়ত প্রকাশের পরেও হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মক্কী জীবনে প্রায় এক যুগ পর্যন্ত এই রীতি বিদ্যমান ছিল । (বুখারী শরীফ)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এ ছাড়া তিনি হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার নিকট স্বীয় মেয়েকে হাদিয়া দেন । আত্মীয়তার বন্ধন অপেক্ষা দ্বীনি সম্পর্কটাই তাঁকে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার সার্বক্ষণিক সহচর হিসাবে আটকিয়ে রেখেছিল ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;খিলাফতের স্তম্ভ গ্রহণ:&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার বিছাল শরীফের সময় উনার অসুস্থ অবস্থায় হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ১৭ ওয়াক্ত নামাযে ইমামতি করেছিলেন। হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বিছাল শরীফ বড় বড় ছাহাবাদিগকেও অভিভূত করে। এমনকি হযরত উমর ফারুক্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুও উনার বিছাল শরীফের খবর বিশ্বাস করতে পারেন নি। তিনি উন্মুক্ত তরবারী হাতে বলতে লাগলেন : যে বলবে যে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার বিছাল শরীফ সম্পন্ন হয়েছে আমি তাকে এই তরবারী দিয়ে দ্বিখণ্ডিত করব। হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তাঁকে শান্ত করতে সমর্থ হলেন। তিনি কুরআন শরীফের এই বাণী পড়ে শুনালেন: ‘‘মুহম্মদ (ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ পাক-উনার রসূল, উনার পূর্বেও রসূলগণ বিগত হয়েছেন । সুতরাং যদি তিনি বিছাল শরীফ লাভ করেন অথবা শাহাদাত লাভ করেন তবে তোমরা কি পৃষ্ঠ প্রদর্শন করবে ? কেহ যদি পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে সে আল্লাহ পাক-উনার কিছুই ক্ষতি করে না এবং আল্লাহ পাক কৃতজ্ঞগণকে পুরুস্কৃত করবেন’’। হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু-এর এই আয়াত শরীফ পাঠের সঙ্গে সঙ্গে ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণের চেতনা ফিরে আসে। হযরত উমর ফারুক্ব রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু পর্যন্ত মন্তব্য করেছেন: আমার নিকট মনে হল- এই আয়াত শরীফগুলি এই মাত্র নাযিল হয়েছে । হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বিছাল শরীফ-এর পর ছাহাবায় কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ অনতিবিলম্বে সর্ব সম্মতিক্রমে হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু-এর উপর খিলাফতের ভার অর্পন করলেন। অত:পর তিনি সমগ্র মুসলিম জাহানের খলীফা নিযুক্ত হন এবং যোগ্যতা ও সুনামের সাথে খিলাফতের স্তম্ভে সর্বমোট দু’বছর তিন মাস দশ দিন খিলাফত পরিচালনা করেন। এই অল্প সময়ের মধ্যে সকল প্রকার বিদ্রোহ ও ষড়যন্ত্র সাফল্যের সাথে দমন করে তিনি সমগ্র মুসলিম জাহানে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনেন। সুবহানাল্লাহ। ক্বওল শরীফ ও আমল&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মুসলমানের প্রত্যেক কষ্টের ছওয়াব দেয়া হবে। কাঁটা ফুটলে, এমনকি জুতার ফিতা ছিঁড়ে গেলেও মু’মিন তার ছওয়াব পাবে। যে ব্যক্তি আল্লাহ পাক-উনার খালিছ মুহব্বতের স্বাদ পেয়েছে, সেই আস্বাদন শক্তি তাকে দুনিয়ার স্বাদ তালাশ করা হতে বিরত রেখেছে। হক্ব কথা বলা খুবই কঠিন, কিন’ তা কঠিন সত্ত্বেও আনন্দদায়ক ও প্রশংসনীয়। বাতিল কাজ সহজ হলেও তা নিন্দনীয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আয় আল্লাহ পাক ! হক্বকে হক্ব অনুসারেই আমাকে দেখান, তাকে অনুসরণ করার তওফিক দিন বাতিলকে বাতিলরূপেই আমাকে দেখান এবং তাকে পরিত্যাগ করার তওফিক দিন। বাতিলকে আমার উপর বিজয়ী করে দিবেন না, যাতে আমি খাহেশ ও কু-প্রবৃত্তির দাস হয়ে পড়ি। (হালাতে মাশায়েখে নকশবন্দিয়া মুজাদ্দেদীয়া)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যে ব্যক্তি ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অনুষ্ঠানের জন্য এক দিরহাম খরচ করবে, সে জান্নাতে আমার বন্ধু হবে । (আন-নি‘মাতুল কুবরা আলা’ল ‘আলাম)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;‘মুহীত’ কিতাবে উল্লেখ আছে যে, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (একবার) মসজিদে তশরীফ এনে একটি স্তম্ভের নিকট বসেছিলেন। উনার পাশে হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বসেছিলেন। এর মধ্যে হযরত বিলাল রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু আযান শুরু করেছিলেন, যখন ‘‘আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রসুলুল্লাহ’’ উচ্চারণ করলেন, তখন হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বৃদ্ধাঙ্গুলীদ্বয়ের নখ্‌ চুম্বন করে আপন দু’চোখের উপর রেখে বললেন: কুর্‌রাতু ‘আইনী বিকা ইয়া রসুলাল্লাহ (হে আল্লাহ পাক-উনার রসুল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ! আপনি আমার চোখের মণি)। হযরত বিলাল রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু-এর আযান শেষ হওয়ার পর হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন : হে আবূ বকর ছিদ্দীক্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ! আপনি যা করেছেন, যে ব্যক্তি তদ্রুপ করবে, আল্লাহ পাক তার সমুদয় গুণাহ্‌ মাফ করে দিবেন। (সুবহানাল্লাহ) (তাফসীরে রুহুল বয়ান/মাসিক আল-বাইয়্যিনাত ১২০/৩২)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিছাল শরীফ :&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব রদ্বিয়াল্লাহু আনহু-এর অন্তিম সময়ে উনার নিকট উপসি’ত লোকেরা তাঁকে জিজ্ঞেস করল: আপনার জন্য চিকিৎসক ডাকার ব্যবস্থা করব কি? তিনি বললেন: আমার চিকিৎসক আমাকে পরীক্ষা করে বলেছেন- নিশ্চয়ই আমি যা ইচ্ছা তাই করি। এ সময় হযরত সালমান ফারসী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তাঁকে দেখতে আসলেন। অসুখের খোঁজ খবর নেয়ার পর তিনি বললেন: হে আবূ বকর! আমাকে কিছু ওছীয়ত করুন! হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বললেন: আল্লাহ পাক আপনাদের জন্য দুনিয়া জয় করে দিবেন। আপনি দুনিয়া থেকে প্রয়োজন পরিমাণই গ্রহণ করবেন। আর মনে রাখবেন, যে ব্যক্তি ফযরের নামায আদায় করে, সে আল্লাহ পাকের ওয়াদার মধ্যে থাকে। সুতরাং আল্লাহ পাকের সঙ্গে ওয়াদা ভঙ্গ করবেন না। যদি আল্লাহ পাকের সঙ্গে ওয়াদা ভঙ্গ করেন, তবে উপুড় অবস্থায় দোজখে নিক্ষিপ্ত হতে হবে। লোকেরা উনার অন্তিম সময়ে তাঁকে অনুরোধ করল যে, একজনকে আপনার স্থলাভিষিক্ত করে দিন। তিনি যখন হযরত উমর ফারুক্ব রদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে উনার স্থলাভিষিক্ত করলেন, তারা বলল: আপনি একজন কঠোর স্বভাব বিশিষ্ট ব্যক্ত্লিক আপনার স্থলাভিষিক্ত করেছেন। আপনি আল্লাহ পাকের নিকট এর কি জবাব দিবেন? তিনি উত্তর দিলেন: আমি বলব, আল্লাহ পাক আপনার সৃষ্টির মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তিকেই আমি নিজের স্থলাভিষিক্ত করেছি। অতঃপর তিনি হযরত উমর ফারুক্ব রদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে ডেকে কিছু ওছীয়ত করলেন। (কিতাবু জিক্‌রিল মাউতি ওয়া মা বা’দাহু)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা সূত্রে আল-ওয়াক্বিদী এবং আল-হাকিম বর্ণনা করেন যে, হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ৭ ই জুমাদাল উখ্‌রা সোমবার গোসল করেন। আর এই দিনটি ছিল শীতল। এর পর ১৫ দিন ধরে উনার জর হয়। এ সময় তিনি মসজিদে জামায়াতে নামায পড়তে পারেননি। হিজরী ১৩ সনে ২২ শে জুমাদাল উখ্‌রা মুতাবিক ২৩ শে আগস্ট, ৬৩৪ ঈসায়ী মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ৬৩ বছর বয়সে তিনি ইন্তিকাল করেন। (তারিখুল খুলাফা, কিতাবুল আলক্বাব, ৩য় খন্ড )&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বুযুর্গী ও ফযীলত:&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উনার বুযুর্গী ও ফযীলত বর্ণনার অপেক্ষা রাখে না। স্বভাবগত ভাবে তিনি ছিলেন অত্যন্ত কোমল প্রকৃতির লোক। কিন’ শরীয়তের বিধান কার্যকর করার ব্যাপারে তিনি অত্যন্ত কঠোর ছিলেন। কালামুল্লাহ শরীফে স্বয়ং আল্লাহ পাক একাধিক স্থানে উনার ছানা-ছীফত করেছেন। উনার প্রশংসায় অসংখ্য হাদীছ শরীফ বর্ণিত হয়েছে। মুদ্দা কথা, নবী রসুল আলাইহিমুস সালামগণের পরে যিনি সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদার অধিকারী তিনিই ছিদ্দীক্বে আকবর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এবং এই ছিদ্দীক্বে আকবর লক্বব উনার একক বৈশিষ্ট্য। উনার মর্যাদা স্বল্প পরিসরে উল্লেখ করা সম্ভব নয়। এমন কোন ভাষা নেই, যে ভাষায় উনার জীবনী গ্রন’ রচিত হয়নি। তিনি ছিলেন সেই ব্যক্তি যিনি প্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন, প্রথম কুরআন শরীফ সংগ্রহ করেন এবং নাম দিলেন মুছহাফ এবং তিনিই প্রথম যাঁকে খলীফা বলে অভিহিত করা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ইসলাম জগতে এক নজির-বিহীন বিরল ব্যক্তিত্ব। নুবুওওয়াতের পর উনার ইমামত ও খিলাফত সকলেই বিনা দ্বিধায় মেনে নেন। হাদীছ শরীফে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, যেই জামায়াতে হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উপসি’ত থাকবেন সেখানে তিনি ব্যতীত অন্য কারো ইমামতি করা উচিত হবে না (তিরমিযী শরীফ)।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তিনি আরো ইরশাদ করেন, আমি আমার রব (আল্লাহ পাককে) ছাড়া যদি আর কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করতাম তাহলে হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুকেই বন্ধুরূপে গ্রহণ করতাম (মুয়াত্তা শরীফ)। মুয়াত্তা শরীফে আরো বর্ণিত হয়েছে, একদা জনৈক মহিলা হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার নিকট এসে কোন বিষয়ে কথাবার্তা বলল। তিনি তাকে পুণরায় আসতে বললেন, তখন মহিলাটি বলল: ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি আবার এসে যদি আপনাকে না পাই, তখন কি করব? উত্তরে তিনি বললেন: তুমি যদি আমাকে না পাও, তবে হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু-এর নিকট এস। রসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে উদ্দেশ্য করে বলেন, তিনি আমার (ছওর) গুহার সঙ্গী এবং হাউযে কাউছারে আমার সাথী । (তিরমীযী শরীফ)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নূরে মুজাস্‌সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার ছওর গুহার সঙ্গী হওয়ার বিষয়টি মহান আল্লাহ পাক উনার কালাম পাকে উল্লেখ করেছেন। এর ফযীলত বর্ণনা প্রসঙ্গে স্বয়ং হযরত উমর ফারুক্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, আমার সারা জীবনের আমল যদি হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু-এর সেই রাত্রির আমলের সমান হত! তা সেই রাত্রি, যেই রাত্রিতে তিনি (হিজরতের সফরে) হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার সঙ্গে ছওর গুহার দিকে রওয়ানা হন। (রযীন)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সবকিছু আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার জন্য কুরবান করে উম্মতের জন্য কিয়ামত পর্যন্ত এক উজ্জল আদর্শ স্থাপন করে গেছেন। তাবুকের জিহাদের সময় চরম আর্থিক অনটন সত্ত্বেও তিনি উনার সকল গৃহ সামগ্রী হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার সামনে নিয়ে উপসি’ত করেন। সন্তান সন’তির জন্য কি রেখে এসেছেন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন যে: আল্লাহ পাক ও আল্লাহ পাক-উনার রসুলকে রেখে এসেছি। (আবূ দাউদ শরীফ)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ছিলেন একজন ধনী ব্যবসায়ী। যেদিন তিনি ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন, সেদিন উনার বাড়ীতে চল্লিশ হাজার দিরহাম বা দিনার ছিল, আর হিজরতের সময় যখন তিনি মদীনা শরীফ রওয়ানা হন, তখন উনার নিকট পাঁচ হাজার দিনার বা দিরহামের অধিক ছিল না। এই সব অর্থ তিনি গোলাম আযাদ ও দ্বীন ইসলামের জন্য ব্যয় করেছিলেন। (তারীখুল খুলাফা)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন: যিনি সকল মানুষের মধ্যে আমাকে প্রাণ ও সমপদ দিয়ে সর্বাধিক দায়বদ্ধ করে ফেলেছেন, তিনি হলেন হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু। আমি যদি আমার রব (আল্লাহ পাক) ছাড়া অন্য কোন বন্ধু গ্রহণ করতাম, তবে নিশ্চয়ই সে হত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু । কিন’ মুমিনদের ভ্রাতৃত্বই আমার জন্য যথেষ্ট । (তারীখুল খুলাফা) তরীক্বতের ইমাম হযরত দাতা গঞ্জে বখ্‌শ রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ পাক কাউকে যখন পূর্ণ সততা দান করেন, তখন তিনি সর্বক্ষণ আল্লাহ পাকের নির্দেশের অপেক্ষায় থাকেন এবং আল্লাহ পাক তাকে যখন যে অবস্থায় রাখেন তাতেই সন’ষ্টি প্রকাশ করেন। যদি ফকীর হওয়ার নির্দেশ দেন, অমনি অম্লান বদনে ফকীর হয়ে যান। আর যদি আমীর হওয়ার নির্দেশ দেন তবে আমীর হয়ে যান। তিনি আপাদমস্তক আল্লাহ পাকের নির্দেশের সম্মুখে মাথা নত করে দেন। এই অবস্থাই ছিল হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু-এর। এমনকি তিনি ঘোষণা করে দিয়েছিলেন, উনার দ্বারা কোন অন্যায় কাজ সংঘটিত হলে কেউ যেন উনার অনুগত না থাকে। এই কারণে তিনি তরীক্বতের স্বয়ং সমপূর্ণ ইমাম ছিলেন। (কাশফূল মাহযুব)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হযরত মাওলানা শাহ আবদুল আজিজ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কিতাব “তোহ্‌ফায়ে ইছ্‌না আশারিয়া’’ কিতাবে লিখেছেন: হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, আল্লাহ পাক যা কিছু আমার হূদয়ে নিক্ষেপ করেছেন, আমি তৎসমুদয় হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু-এর হূদয়ে নিক্ষেপ করেছি। (তাছাউফ তত্ত্ব) নক্‌শবন্দীয়া-মুজাদ্দিদীয়া তরীকার নিসবত উনার মাধ্যমেই হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার সাথে সম্পর্কিত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমাদের কর্তব্য এবং সরকারের দায়িত্ব:&lt;br /&gt;সম্মানিত মুসলমানগন!  মূলত: হযরত আহলে বাইত আলাইহিমুস সালাম বিশেষ করে সাইয়্যিদাতুন নিসা আহলিল জান্নাহ হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম এবং আফদ্বালুন নাছ বা’দাল আম্বিয়া হযরত ছিদ্দীক্বে আকরব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাদের ফাযায়িল-ফযীলত, মর্যাদা-মর্তবা ও বুযূর্গী সম্পর্কিত ইলম না থাকার কারণেই আমরা উনাদের যথাযথ মুহব্বত ও অনুসরণ করতে পারছি না। যার ফলে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের খাছ রেযামন্দি হাছিলে ব্যার্থ হচ্ছি। তাই উনাদের সম্পর্কে জানা সকলের জন্যই ফরয। কেননা যে বিষয়টা আমল করা ফরয সে বিষয়ে ইলম অর্জন করাও ফরয। অথচ আশ্চর্যের বিষয় হলো ৯৭ ভাগ মুসলমানের দেশ বাংলাদেশের মাদরাসা, স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচিতে উনাদের সম্পর্কে কোন আলোচনাই নেই। তাহলে মুসলমানগণ কি করে হাক্বীক্বী মুসলমান হবে?&lt;br /&gt;সাইয়্যিদাতুন নিসা হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম উনার বিলাদত শরীফ-এর দিন হচ্ছে ২০ মে জুমাদাল উখরা এবং ২৩শে জুমাদাল উখরা আফযালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার বিছাল শরীফ। তাই প্রত্যেক মুসলিম অমুসলিম সরকারের জন্য দায়িত্ব কর্তব্য হচ্ছে- এ মুবারক দিবস উপলক্ষে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা।&lt;br /&gt;পহেলা মে, বুদ্ধ পূর্ণিমা, দুর্গাপূজাসহ অন্যান্য দিনে মুসলিম বিশ্বে ছুটি দেয়া হয়; যার সাথে মুসলিম ঐতিহ্যের কোন সম্পর্ক নেই এবং যা মুসলমানদের প্রয়োজনও নেই। অথচ মুসলমান হিসেবে প্রত্যেকেরই উচিত ছিল মুসলিম ঐতিহ্য ও ইসলামী ফযীলতযুক্ত দিন যেমন, উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, আহলে বাইত শরীফ, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের বিলাদত ও বিছাল শরীফ সম্পর্কে অবগত থাকা। তার চেতনাবোধে ও মর্যাদা-মর্তবা অনুধাবনে অনুপ্রাণিত থাকা।&lt;br /&gt;আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আমাদেরকে সেই তৌফিক দান করুন।&lt;br /&gt;(বি.দ্র. : এ বছরের জন্য ২০ মে জুমাদাল উখরা মুতাবিক ২৫ মে ২০১১ ঈসায়ী রোজ বুধবার সাইয়্যিদাতুন নিসা আহলিল জান্নাহ হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম এবং ২২ জুমাদাল উখরা মুতাবিক আগামী ২৮ মে ২০১১ ঈসায়ী রোজ শনিবার তারিখটি হচ্ছে আফদ্বালুন নাছ বা’দাল আম্বিয়া হযরত ছিদ্দীকে আকবর রদ্বিয়াল্লাহু আনহু উনার বিছাল শরীফ-এর তারিখ)&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3683448176327843081-5906403668545561905?l=chhatro-anjumaan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3683448176327843081/posts/default/5906403668545561905'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3683448176327843081/posts/default/5906403668545561905'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://chhatro-anjumaan.blogspot.com/2011/05/blog-post.html' title='২০ জুমাদাল উখরা এবং ২২ জুমাদাল উখরা এদুটি বিশেষ দিন সম্পর্কে কি মুসলমানগণ অবগত?'/><author><name>HaSaN 05</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18001784930709949683</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3683448176327843081.post-2059837177304421452</id><published>2010-03-21T15:13:00.000-07:00</published><updated>2010-06-19T10:28:58.343-07:00</updated><title type='text'>The sacred Lailatur Rwaghaeeb</title><content type='html'>&lt;meta equiv="Content-Type" content="text/html; charset=utf-8"&gt;&lt;meta name="ProgId" content="Word.Document"&gt;&lt;meta name="Generator" content="Microsoft Word 11"&gt;&lt;meta name="Originator" content="Microsoft Word 11"&gt;&lt;link rel="File-List" href="file:///C:%5CUsers%5CCHHATR%7E1%5CAppData%5CLocal%5CTemp%5Cmsohtml1%5C01%5Cclip_filelist.xml"&gt;&lt;!--[if gte mso 9]&gt;&lt;xml&gt;  &lt;w:worddocument&gt;   &lt;w:view&gt;Normal&lt;/w:View&gt;   &lt;w:zoom&gt;0&lt;/w:Zoom&gt;   &lt;w:punctuationkerning/&gt;   &lt;w:validateagainstschemas/&gt;   &lt;w:saveifxmlinvalid&gt;false&lt;/w:SaveIfXMLInvalid&gt;   &lt;w:ignoremixedcontent&gt;false&lt;/w:IgnoreMixedContent&gt;   &lt;w:alwaysshowplaceholdertext&gt;false&lt;/w:AlwaysShowPlaceholderText&gt;   &lt;w:compatibility&gt;    &lt;w:breakwrappedtables/&gt;    &lt;w:snaptogridincell/&gt;    &lt;w:wraptextwithpunct/&gt;    &lt;w:useasianbreakrules/&gt;    &lt;w:dontgrowautofit/&gt;   &lt;/w:Compatibility&gt;   &lt;w:browserlevel&gt;MicrosoftInternetExplorer4&lt;/w:BrowserLevel&gt;  &lt;/w:WordDocument&gt; &lt;/xml&gt;&lt;![endif]--&gt;&lt;!--[if gte mso 9]&gt;&lt;xml&gt;  &lt;w:latentstyles deflockedstate="false" latentstylecount="156"&gt;  &lt;/w:LatentStyles&gt; &lt;/xml&gt;&lt;![endif]--&gt;&lt;style&gt; &lt;!--  /* Font Definitions */  @font-face 	{font-family:Vrinda; 	panose-1:2 11 5 2 4 2 4 2 2 3; 	mso-font-charset:0; 	mso-generic-font-family:swiss; 	mso-font-pitch:variable; 	mso-font-signature:65539 0 0 0 1 0;}  /* Style Definitions */  p.MsoNormal, li.MsoNormal, div.MsoNormal 	{mso-style-parent:""; 	margin:0in; 	margin-bottom:.0001pt; 	mso-pagination:widow-orphan; 	font-size:12.0pt; 	font-family:"Times New Roman"; 	mso-fareast-font-family:"Times New Roman";} @page Section1 	{size:8.5in 11.0in; 	margin:1.0in 1.25in 1.0in 1.25in; 	mso-header-margin:.5in; 	mso-footer-margin:.5in; 	mso-paper-source:0;} div.Section1 	{page:Section1;} --&gt; &lt;/style&gt;&lt;!--[if gte mso 10]&gt; &lt;style&gt;  /* Style Definitions */  table.MsoNormalTable 	{mso-style-name:"Table Normal"; 	mso-tstyle-rowband-size:0; 	mso-tstyle-colband-size:0; 	mso-style-noshow:yes; 	mso-style-parent:""; 	mso-padding-alt:0in 5.4pt 0in 5.4pt; 	mso-para-margin:0in; 	mso-para-margin-bottom:.0001pt; 	mso-pagination:widow-orphan; 	font-size:10.0pt; 	font-family:"Times New Roman"; 	mso-ansi-language:#0400; 	mso-fareast-language:#0400; 	mso-bidi-language:#0400;} &lt;/style&gt; &lt;![endif]--&gt;    &lt;p class="MsoNormal" style="text-align: center;" align="center"&gt;&lt;b&gt;&lt;span style=";font-family:Vrinda;font-size:8pt;"  &gt;&lt;o:p&gt; &lt;/o:p&gt;&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 102, 0);"&gt;The sacred Lailatur Rwaghaeeb is the night preceding the first Friday of  the month of Rajab. In this sacred night, Noor-i-Mujassam, Habeebullah,  Huzur Pak Swallallahu Alaihi Wa Sallam took ‘Tashrif’ (appeared)  supernaturally in the sacred ‘Rehem Shareef’ (womb) of His mother Hazrat  Amina Alaihas Salaam. The dignity, blessings and significance of this  Mubarak night is much higher than those of the nights of Shab-e-Qadar  and Shab-e-Baraat.” Subhan Allah!.                     &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 153, 0);"&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 102, 0);"&gt;Lailatur Rwaghaeeb is one such blessed night to  perform Tasbih-Tahlil, Dua-Durud Shareef, Zikr-Askar, Salat-Salaam,  Tawbah-Istighfar, reciting from the Qur’an Shareef, Milad Shareef and  Qiyaam, donations and khairah and of saying prayers etc. Overall, this  is a night of blessings, prosperity, peace and salvation.                      &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-family: arial; font-weight: bold; color: rgb(255, 102, 102);"&gt;Importance:&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 102, 0);"&gt;The Imaam of ‘Hamboli Madhab’, Hazrat Imaam Ahmad Bin Hamble  Rahmatullahi Alaihi, in explaining the significance and blessings of  this Mubarak night, says, ‘When Hazrat Imaam Ahmad Bin Hamble  Rahmatullahi Alaihi declared that “The dignity, blessings and  significance of ‘Lailatur Rwaghaeeb’ is much higher than those of the  nights of Shab-e-Qadar and Shab-e-Baraat”. Subhan Allah!’ Then, the  contemporary Imaam and Faqih came up and inquired, “O Hazrat Imaam Ahmad  Bin Hamble Rahmatullahi Alaihi! Allah Pak in the Qur’an Shareef and  Huzur Pak Swallallahu Alaihi Wa Sallam in the Hadis Shareef Narrated  about the blessings and significance of the nights of Shab-e-Qadar and  Shab-e-Baraat. But nowhere there are any descriptions of the importance  of ‘Lailatur Rwaghaeeb’. Then on what grounds could you declare that the  dignity, blessings and significance of ‘Lailatur Rwaghaeeb’ is much  higher than those blessed nights?”                      &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 102, 0);"&gt; Hazrat Imaam Ahmad Bin Hamble Rahmatullahi  Alaihi replied, “Well, it is true that the blessings of Shab-e-Baraat  and Shab-e-Qadar have been narrated in the Qur’an Shareef and Hadis  Shareef. But Shab-e-Baraat and Shab-e-Qadar and other blessed nights  have been created for the sake of Lailatur Rwaghaeeb. This means that if  there was no Lailatur Rwaghaeeb, there wouldn’t have been any Lailatul  Baraat or Lailatul Qadar and similar other blessed nights. That’s the  reason that the importance of Lailatur Rwaghaeeb is much more than any  and all of those blessed nights. Subhan Allah!”  					&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 102, 0);"&gt;In the Qur’an Shareef, Allah Pak Declared in the first verse of  Sura Kawsar, “Verily, I have bestowed ‘Kawsar’ or ‘KhaireKaseer’ unto  You”. Subhan Allah! In interpreting ‘Kawsar’, several meanings have come  up. Firstly, by the word ‘Kawsar’, ‘Houze Kawsar’ has been meant.  ‘Houze Kawsar’ is one such well that contains such sweet and chilled  water that anyone drinks it once, shall never feel thirsty until  entering Jannat (heaven).”Subhan Allah! Secondly, another meaning of  ‘Kawsar’ is ‘KhaireKaseer’ which means something better, rather the very  best. This bears that whatever has been given by Allah Pak to Huzur Pak  Swallallahu Alaihi Wa Sallam is best in all aspects for all ages. 					&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 102, 0);"&gt;Not only that, whatever had come in touch with Huzur Pak  Swallallahu Alaihi Wa Sallam, had turned out to be the best. Imaam,  Mujtahid and Awlia-i-Kiram Rahmatullahi Alaihim had come to agreement or  ‘Izma’ made that the soil Mubarak in the Rawza Mubarak of Huzur Pak  Swallallahu Alaihi Wa Sallam touching His Body Mubarak is million times  more precious than ‘Arsh-e-A’azim’! Subhan Allah!” In fact the soil did  not have any price or value but then just for coming in touch with Huzur  Pak Swallallahu Alaihi Wa Sallam, it had been blessed with the price,  benefits and status more than that of the ‘Arsh-e-A’azim’.                      &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 102, 0);"&gt;Likewise, there are so many vegetables available  in the markets everywhere. No vegetable has any connection with Imaam  (belief). But a gourd has. The reason being: Habeebullah, Huzur Pak  Swallallahu Alaihi Wa Sallam Himself liked a gourd and He fondly ate it.  Therefore, as per Qur’an and Sunnah, Imaam and Mujtahid have delivered  ‘fatwa’ that if anyone would say, ‘I don’t like a gourd’ shall turn to  be a sheer non-believer. Virtually, a gourd does not have a status. Just  having been related with Huzur Pak Swallallahu Alaihi Wa Sallam, it got  that price and status and that’s why it has been imposed to have a  liking for gourds as part of Imaan.                      &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 102, 0);"&gt;The same way, Lailatur Rwaghaeeb has come to be  more blessed than those of the Lailatul Qadar or Lailatul Baraat and  other blessed nights just because of the reasons that it has direct  links with Huzur Pak Swallallahu Alaihi Wa Sallam.&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold; color: rgb(255, 102, 102);"&gt;Amol/Activities:&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;In Lailatur Rwaghaeeb one should perform Tasbih-Tahlil, Dua-Durud  Shareef, Zikr-Askar, Salat-Salaam, Tawbah-Istighfar, reciting from the  Qur’an Shareef, Milad Shareef and Qiyaam, donations and khairah and of  saying prayers etc. As Muslims, every Muslim government should declare  day-offs on such blessed days of Islamic traditions as a must and that  also the non-Muslim government should follow them in order to allow the  Muslim population to realize the gravity of these days and facilitate  them to gather its full benefits.  					&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-family:Vrinda;"&gt;&lt;o:p&gt;&lt;/o:p&gt;&lt;/span&gt;  &lt;p class="MsoNormal"&gt;&lt;span style="font-family:Vrinda;"&gt;&lt;o:p&gt; &lt;/o:p&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;  &lt;p class="MsoNormal"&gt;&lt;span style="font-family:Vrinda;"&gt;&lt;o:p&gt; &lt;/o:p&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;  &lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3683448176327843081-2059837177304421452?l=chhatro-anjumaan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3683448176327843081/posts/default/2059837177304421452'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3683448176327843081/posts/default/2059837177304421452'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://chhatro-anjumaan.blogspot.com/2010/03/blog-post_21.html' title='The sacred Lailatur Rwaghaeeb'/><author><name>HaSaN 05</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18001784930709949683</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3683448176327843081.post-5656590560401192925</id><published>2010-03-05T07:26:00.000-08:00</published><updated>2010-03-25T11:03:53.820-07:00</updated><title type='text'></title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/_UbD2T3pkfTc/S5Ek0vvmG2I/AAAAAAAAADY/k1WbdoZV5cI/s1600-h/Eid+Mubarak.jpg"&gt;&lt;img style="float: right; margin: 0pt 0pt 10px 10px; cursor: pointer; width: 320px; height: 240px;" src="http://4.bp.blogspot.com/_UbD2T3pkfTc/S5Ek0vvmG2I/AAAAAAAAADY/k1WbdoZV5cI/s320/Eid+Mubarak.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5445173913055533922" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;div id="pnlTitleText" class="fullText_title" style="width: 945px;"&gt;  &lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ছাত্র আঞ্জুমানে আল বাইয়িনাত, ঢাকা  বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নতুন কমিটি গঠন  এবং নবীনবরন অনুষ্ঠানে আওলাদে রসূল  হযরত শাহদামাদ হুযূর ক্বিবলা মুদ্দা  জিল্লুহুল আলী&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;“হাজারো হারাম ও ফিৎনার কেন্দ্রস্থল ঢাকা  বিশ্ববিদ্যালয়ে  হক্বের উপর ইস্তিক্বামত থেকে হক্ব মত ও হক্ব পথ বিস্তার  করতে প্রত্যেক  আঞ্জুমান কর্মীকে তার ব্যক্তিগত যিকির, ওযীফা ও সুন্নতের  ইত্তিবায় বিশেষ  জোর দিতে হবে” &lt;/span&gt;&lt;/div&gt;                                                          &lt;div id="pnlAuthor" class="fullText_author" style="width: 945px;"&gt;  নিজস্ব প্রতিবেদক &lt;/div&gt;&lt;br /&gt;                                                      গত ১৮ই মার্চ, ২০১০ ঈসায়ী তারিখে ঢাকা  রাজারবাগ  দরবার শরীফ-এ ছাত্র আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়  শাখার  নতুন কমিটি গঠন এবং নবীনবরন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; উক্ত  অনুষ্ঠানে প্রধান  অতিথি হিসেবে মুবারক তাশরীফ আনেন ছহিবে ইনছাফ, কায়িম  মাকামে আলী হায়দার,  আওলাদে রসূল হযরত শাহদামাদ হুযূর ক্বিবলা মুদ্দা  জিল্লুহুল আলী&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;আওলাদে   রসূল হযরত শাহদামাদ হুযূর ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী, উনার মুবারক   নসীহতে বলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এমন একটি স্থান যেখানে হাজারো হারাম ও   ফিৎনার কেন্দ্রস্থল&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; তথাকথিত সংস্কৃতিবাদী, বুদ্ধিজীবী ও নাস্তিকদের অন্যতম   কেন্দ্র এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; আর তাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়  আঞ্জুমানের  দায়িত্বও অনেক বেশি&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; এতসব বাতিলের মধ্যে হক্বের উপর  ইস্তিক্বামত থেকে হক্ব  মত ও হক্ব পথ বিস্তার করতে তাই প্রত্যেক আঞ্জুমান  কর্মীকে তার ব্যক্তিগত  যিকির, ওযীফা ও সুন্নতের ইত্তিবার দিকে বিশেষ জোর  দিতে হবে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;তাহলে   গায়েবী মদদ হবে, ঈমানী কুওওয়াত বৃদ্ধি পাবে ও হাজারো হারামের বদ তাছির  থেকে  হিফাযত থাকা যাবে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;আর বিশেষভাবে প্রত্যেককেই তার  শিক্ষা ব্যবস্থা, আইন  ব্যবস্থা  ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, এই তিনটি বিষয় ঠিক  রাখতে হবে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;  মূলতঃ এই  তিনটি বিষয়ের মধ্যে একটা ব্যক্তির সবকিছুই  হয়ে যায়&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;ইলম  অর্জন করা ফরয&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;   শিক্ষা ব্যবস্থা মূলত তাকে কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা-ক্বিয়াসের ইলম   অর্জন করতে হবে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; আইন ব্যবস্থা বলতে কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ-এর  আদেশ-নির্দেশ  সে যথাযথ পালন করবে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; আর শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সে এই  আইন-কানুন যথাযথ  হাছিল করতে পারবে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;আর অর্থনৈতিক ব্যবস্থা; এখন  এটাতো হাদীছ শরীফ-এই  ইরশাদ হয়েছে, আখিরী যামানায় দিনার-দিরহাম ব্যতীত  ফায়দা হাছিল করা যাবে না&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;  এখন সে যে কোন নেক কাজ করতে হলে  তার টাকা পয়সা লাগবে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; কাজেই অর্থনৈতিকভাবে  তাকে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;আওলাদে  রসূল হযরত শাহদামাদ হুযূর ক্বিবলা  মুদ্দা জিল্লুহুল আলী, উনার মুনাজাতে  সারা বিশ্বের মুসলমানদের জন্য খাছভাবে  দোয়া করেন&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; মুসলমানদেরকে যামানার ইমাম  রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত  মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী,  উনাকে চিনে, উনার ছোহবতের মাধ্যমে  খাছ হিদায়েত লাভের জন্য আল্লাহ পাক,  উনার নিকট ফরিয়াদ করেন&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;আওলাদে রসূল  হযরত শাহদামাদ হুযূর ক্বিবলা মুদ্দা  জিল্লুহুল আলী  উনার মুবারক  ইজাজতক্রমে অনুষ্ঠানে পুরাতন কমিটি বিলুপ্তকরণ  এবং এক বছরের জন্য নতুন  কমিটি ঘোষণা করেন, ছাত্র আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার  আহ্বায়ক এবং সুইডেন আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর  সভাপতি মুহম্মদ শফিউর  রহমান চৌধুরী নিপু&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;উক্ত মুবারক অনুষ্ঠানে নবীনদের  বরণ এবং নতুন কমিটিকে  সাদরে গ্রহণ করেন কেন্দ্রীয় আঞ্জুমানে আল  বাইয়্যিনাতের বিশিষ্ট আমীল,  বিশিষ্ট কবি মুহম্মদ হাফিজ খান এবং দৈনিক আল  ইহসান শরীফ এর বিশিষ্ট  কলামিস্ট, বিশিষ্ট কবি গোলাম মুনজির মুহম্মদ এবং  কেন্দ্রিয় ছাত্র আঞ্জুমানে  আল বাইয়্যিনাত-এর সাধারণ সম্পাদক মুহম্মদ মাসুম  বিল্লাহ এবং সহসাধারণ  সম্পাদক হাফিজ মুহম্মদ জমির হুসাইন&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;অনুষ্ঠানে  মীলাদ শরীফ পাঠ করেন  কেন্দ্রীয় ছাত্র আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর প্রচার  সম্পাদক হাফিয মুহম্মদ  আবু হানীফা এবং কাছিদা শরীফ পাঠ করেন কেন্দ্রীয়  ছাত্র আঞ্জুমানে আল  বাইয়্যিনাত-এর পত্রিকা বিষয়ক সহ সম্পাদক মুহম্মদ  নূরুজ্জামান&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3683448176327843081-5656590560401192925?l=chhatro-anjumaan.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3683448176327843081/posts/default/5656590560401192925'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3683448176327843081/posts/default/5656590560401192925'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://chhatro-anjumaan.blogspot.com/2010/03/blog-post.html' title=''/><author><name>HaSaN 05</name><uri>http://www.blogger.com/profile/18001784930709949683</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/_UbD2T3pkfTc/S5Ek0vvmG2I/AAAAAAAAADY/k1WbdoZV5cI/s72-c/Eid+Mubarak.jpg' height='72' width='72'/></entry></feed>
